কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কে হুমকি হিসেবে নয়, বরং মণ্ডলী ও সুসমাচার প্রচারের একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন এশিয়ান বিশপস সম্মেলন ফেডারেশনের (এফএবিসি) সহ-সভাপতি কার্ডিনাল পাবলো ভার্জিলিও ডেভিড।
এক সপ্তাহব্যাপী প্রার্থনা, সংলাপ, পারস্পরিক শ্রবণ ও আধ্যাত্মিক যাত্রার পর এশিয়ার মণ্ডলীর ধর্শনেতাগণ সিনোডাল মণ্ডলীর প্রতি নতুন প্রস্তাবিত অঙ্গীকার নিয়ে এই অধিবেশন সমাপ্তি করেন।
জাকার্তায় ফেডারেশন অব এশিয়ান বিশপস' কনফারেন্সেস (এফএবিসি)-এর ১২তম পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনের সমাপনী পর্বে জাকার্তার ‘ফ্রেন্ডশিপ টানেল’ সিনোডালিটি, সংলাপ ও ঐক্যের এক জীবন্ত প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
এশিয়ায় ক্যাথলিক মণ্ডলীর জন্য আজ সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নিপীড়ন বা ধর্মনিরপেক্ষতা নয়, বরং ক্রমবর্ধমান মেরুকরণ। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের মালয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অধ্যয়ন বিভাগের জুনিয়র প্রভাষক ড. চুং পুই ই এফএবিসির (ফেডারেশন অব এশিয়ান বিশপস' কনফারেন্স) ১২তম প্লেনারি অ্যাসেম্বলিতে এ সতর্কবার্তা দেন।
মণ্ডলীর ক্রিয়াকর্ম শুধু অভ্যন্তরীণ নবায়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং ন্যায়বিচার, শান্তি এবং সৃষ্টিজগতের সুরক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করাও এর অন্যতম দায়িত্ব।
বর্তমান বিশ্বের দ্রুত পরিবর্তনশীল বাস্তবতার প্রতি বিশ্বস্তভাবে সাড়া দিতে হলে মণ্ডলীকে শুধু তথ্য সংগ্রহ করলেই চলবে না, বরং আধ্যাত্মিক প্রজ্ঞা ও বিবেচনাবোধ গড়ে তুলতে হবে।
জার্মানিভিত্তিক ক্যাথলিক মিশন সংস্থা মিসিও মিউনিখ বলেছে, আন্তর্জাতিক মন্ডলীর অংশীদারিত্ব কেবল অর্থায়ন বা প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে নয়, বরং পারস্পরিক শ্রবণ, শেখা এবং একসঙ্গে পথচলার মানসিকতার মধ্য দিয়েই দৃঢ় হয়।