ভাদুন ধর্মপল্লীর গির্জার প্রতিপালক উত্তম মেষপালকের পর্ব দিবস উদযাপন
গত ৮ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশের অন্তর্গত ভাদুন ধর্মপল্লীর গির্জার প্রতিপালক উত্তম মেষপালকের পর্ব দিবস উদযাপন করা হয়।
দীর্ঘ নয়দিন আধ্যাত্মিক প্রস্ততির পর এই পর্বদিব উদযাপিত হয়। নভেনা প্রার্থনা, পাপস্কীকার সাক্রামেন্ত ও নিরামিশ ভোজ পালনের মধ্যদিয়ে খ্রিস্টভক্তগন পর্বদিবসের জন্য আধ্যাত্মিক প্রস্ততি গ্রহণ করেন।
এই পর্বদিবসের পবিত্র খ্রিস্টযাগ উৎসর্গ করেন মন্সিনিয়র গাব্রিয়েল কোড়াইয়া।এছাড়াও উপস্থিত ছিলো ধর্মপল্লীর পালপুরোহিত ফাদার সেন্টু কস্তা সহ বিভিন্ন ধর্মপল্লীর পালপুরোহিতগণ সহ প্রায় ৯ জন যাজক, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সিস্টারগণ, ব্রাদারগণ, সেমিনারীয়ান সহ খ্রিস্টভক্তগণ।
উল্লেখ্য যে, পর্বদিনে দুটি খ্রিস্টযাগ উৎসগ করা হয়। পর্বীয় খ্রিস্টযাগের উপদেশ বাণীতে মন্সিনিয়র গাব্রিয়েল কোড়াইয়া বলেন, “প্রভু যীশু তিনি উত্তম মেষপালক। তিনি বিভিন্ন ভাবে নিজেকে আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন। আমরা যেন তাকে চিনতে পারি, জানতে পারি, সেবা করতে পারি এবং তাকে ভালোবাসতে পারি।”
তিনি আরো বলেন, “যীশু সেই পাঁচ হাজার লোককে খাইয়েছিলেন এবং খাওয়ানোর পর বলেছেন আমি জীবনময় খাদ্য। আর সে জীবনময় খাদ্য রূপে যীশু নিজেকে আমাদের মধ্যে উৎসর্গ করেছেন। তাই প্রতিটা খ্রিস্টযাগে প্রতিটা যজ্ঞে আমরা তাকে পানীয় ও রুটি আকারে গ্রহণ করছি।”
“যীশু আমাদের জন্য সমস্ত কিছু পরিত্যাগ করে আমাদের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। ক্রুশে মৃত্যুবরণের মধ্য দিয়ে নিয়ে তিনি দেখিয়েছেন তিনি উত্তম মেষপালক। আমরা প্রার্থনা করি আমরা যেন তাকে ধারণ ও বহন করতে পারি এবং তার মত জীবন যাপন করতে পারি,” বলেন মন্সিনিয়র কোড়াইয়া।
পবিত্র খ্রিস্টযাগের পর ধর্মপল্লীর পালপুরোহিত ফাদার সেন্টু কস্তা সকল খ্রিস্টভক্তদের, পর্ব উদযাপন কমিটি ও আগত সকল ফাদার, সিস্টারদের ধন্যবাদ প্রদান করেন।
পরিশেষে পর্বীয় প্রার্থনা কার্ড, বিস্কুট ও শেষ আশির্বাদের মধ্য দিয়ে এই পর্বদিবসের সমাপ্তি ঘোষণা করা করা হয়। - প্রাঞ্জল টমাস রোজারিও