বোর্ণী শক্তিমতি কুমারী মারিয়া ধর্মপল্লীতে অনুষ্ঠিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস

বোর্ণী ধর্মপল্লীর নারীদের নিয়ে উদযাপিত হলো আন্তর্জাতিক নারী দিবস

গত মার্চ ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের অর্ন্তগত বোর্ণী শক্তিমতি কুমারী মারিয়া ধর্মপল্লীতে অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক নারী দিবস।

জোনাইল খ্রীষ্টান এগ্রিকালচারাল কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিঃ এর আয়োজনে ফাদার . কান্তন মিলনায়তনে উদযাপিত হলো এই আন্তর্জাতিক নারী দিবস।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে উপস্থিত ছিলেন ধর্মপল্লীর পাল-পুরোহিত  ফাদার আন্তনী হাঁসদা, সিস্টার পুষ্প রোজারিও, ক্রেডিটের চেয়ারম্যান বার্নাবাস ক্যান্টন রোজারিও, ভাইস-চেয়ারম্যান শ্যামল হিউবার্ট কস্তাসহ প্রায় ৫০০জন নারী।

এ বছরের আন্তর্জাতিক নারী দিবসের মূলসুর ছিল, “অধিকার, সমতা, ক্ষমতায়ন; নারী কন্যার উন্নয়ন  এতে ধর্মপল্লীর বিভিন্ন গ্রাম থেকে নারীরা অংশগ্রহন করেন।

খ্রিস্টযাগের মধ্য দিয়ে নারী দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর নারীদের অংশগ্রহণে ছিলো বর্ণাঢ্য আনন্দর্যালী।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের মূল লক্ষ্য   উদ্দেশ্য  হলো নারীরা যেন জাতীয়, জাতিগত, ভাষাগত, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক বিভেদ বিবেচনা না করে তাদের কৃতিত্বের জন্য স্বীকৃত দেওয়া হয় ।

ফাদার আন্তনী হাঁসদা বলেন, “আমরা সব সময় নারীদের পাশে আছি। নারী দিবসে যেমন নারীরা সকলে মিলে একত্রিত হয়েছি, ঠিক তেমনিভাবে যেনো সকল নারী সকল কাজে এবং সকল ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ করেন।

ক্রেডিট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বার্নাবাস ক্যান্টন রোজারিও তার উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, “নারী দিবস সফল হোক, নারী দিবসে সকল নারীকে একসাথে থাকতে হবে।

নারী দিবসের মূলসুরের ওপর টগর পিরিচ নারীদের কিভাবে একত্রিত থাকতে হবে, নারীরা কিভাবে নিজেদের এগিয়ে নিয়ে যাবে নারীরা কি করে পরস্পরকে সহযোগিতা করবে বিষয়ে সহভাগিতা করেন।

তিনি আরো বলেন, “নারীরা যেনো একে অন্যের পিছনে পরে না থাকে যেনো একে অন্যের সহযোগিতা করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সাল থেকে প্রতিবছর মার্চ মাসের তারিখ বিশ্বজুড়ে উদ্যাপিত হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস।

লিঙ্গবৈষম্য দূর করে নারীর প্রতি সম্মান সমানাধিকারের বার্তা জানাতেই দিবসটি উদ্যাপিত হয়। আন্তর্জাতিক নারী দিবস আগে আন্তর্জাতিক কর্মজীবী নারী দিবস নামে পরিচিত ছিল। - ফাদার ব্লেইজ সুমিত কস্তা

Bengali pop up image