বিভিন্ন পেশাজীবী সদস্যদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো ঢাকা ক্রেডিটের ৮ম ত্রি-বার্ষিক কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা
গত ১৯ থেকে ২০ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিভিন্ন পেশাজীবী সদস্যদের নিয়ে গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জের মঠবাড়ীতে ঢাকা ক্রেডিটের রিসোর্ট এন্ড ট্রেনিং সেন্টারে অনুষ্ঠিত হলো ঢাকা ক্রেডিটের ৮ম ত্রি-বার্ষিক কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা ।
ঢাকা ক্রেডিটের প্রেসিডেন্ট মাইকেল জন গমেজের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মঞ্জু মারীয়া পালমা’র সঞ্চালনায় এই কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা অনুষ্ঠিত হয়।
এদিন সকালে বৃক্ষরোপনের মাধ্যমে উক্ত কর্মশালা শুরু হয়। এরপর প্রেসিডেন্ট মাইকেল জন গমেজ সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে এই কর্মশালার শুভ উদ্বোধন করেন।
তিনি বলেন, ‘ঢাকা ক্রেডিট সব সময় কৌশলগত কর্মপরিকল্পনার আলোকে কার্যক্রম পরিচালনা করে। এবার আমারা ৮ম ত্রি-বার্ষিক কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা হাতে নিতে যাচ্ছি। ইতিমধ্যে আমরা বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষদের নিয়ে ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশন করেছি। বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারবৃন্দ আমাদের নানামুখি পরামর্শ ও মতামত দিয়েছেন।”
“আজ আমরা কৌশলগত কর্মপরিকল্পনার কর্মশালায় অংশ নিয়েছি। আশা করি আপনারা সক্রিয় অংশগ্রহণ করে আপনার মতামত, পরামর্শ দিয়ে আমাদের কৌশলগর্ত কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে অংশিদার হবেন,” বলেন গমেজ।
এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ক্রেডিটের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট, ওয়ার্ল্ড ওয়াইএমসিএ’র কার্যনির্বাহী সদস্য, দি মেট্রোপলিটন খ্রীষ্টান কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লি:’র চেয়ারম্যান, দি সেন্ট্রাল এসোসিয়েশন অব খ্রীষ্টান কো-অপারেটিভস্ (কাককো) লি:’র চেয়ারম্যান, ঢাকা ক্রেডিটের ভাইস-প্রেসিডেন্ট সহ আরো অনেক নেতৃবৃন্দ।
সমাপনী অনুষ্ঠানে যুগ্ম-নিবন্ধক মো. জনাব কামরুজ্জামান বলেন, “ঢাকা ক্রেডিট এখন ঢাকা বিভাগের ৪টি জেলায় কাজ করছে। আপনারা আবেদন করুন, আমি ঢাকা বিভাগের সবগুলো জেলায় আপনাদের কাজ করার অনুমোদন দিব। আপনারা ইআরপি সফট্ওয়্যার তৈরি করেছেন, এটা সমবায়কেন্দ্রিক একটি সফট্ওয়্যার।”
তিনি আরো বলেন, “আপনাদের মেধাবী লিডার কমে যাচ্ছে। যারা এখন শিক্ষার্থী, তাদের এখনই আপনাদের বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে এনে কার্যক্রমগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিন। যারা নেতৃত্ব দিবে, তারাও অভিজ্ঞতা অর্জন করবে। পাশপাশি কর্মসংস্থানও হবে।”
এ দিন অন্যান্য অতিথিবৃন্দ বলেন, “আজকের এই কর্মশালা ঢাকা ক্রেডিটকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করি। আমরা মনে করি এই দুইদিন একটা রোডম্যাপ তৈরি হয়েছে ঢাকা ক্রেডিটকে আরো অনেক দূর এগিয়ে নেওয়ার জন্য। আমাদের সবারই সহযোগিতা থাকবে।”
কর্মশালার শেষ দিন প্রেসিডেন্ট, ভাইস-প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি, ট্রেজারার এবং সিইও’র নেতৃত্বে কার্যক্রমভিত্তিক লক্ষ্য ও লক্ষ্য অর্জনের কৌশল নির্ধারণ, চূড়ান্তকরণ এবং রূপরেখা উপস্থাপন করা হয়।
কমশালায় অংশগ্রহণকারীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ফুটবল ও পিলো পাস প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। শেষে ভাইস-প্রেসিডেন্ট শিপন রোজারিও সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ৮ম কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা কর্মশালার সমাপ্তী ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য, ২০০৪ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ঢাকা ক্রেডিট ত্রি-বার্ষিক কৌশলগত কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী তিন বছর এই কর্মকৌশল পরিকল্পনার ইন্ডিকেটর অনুসারে ঢাকা ক্রেডিটের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। - ডিসিনিউজ