ডিসি চাইল্ডকেয়ার এন্ড এডুকেশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হলো ভাষা দিবস, বই ও পিঠা উৎসব

ডিসি চাইল্ডকেয়ার এন্ড এডুকেশন সেন্টারে উদযাপিত হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, বই ও পিঠা উৎসব

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দি খ্রীষ্টান কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লি:, ঢাকা এর অন্যতম প্রকল্প ডিসি চাইল্ডকেয়ার এন্ড এডুকেশন সেন্টারে উদযাপিত হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, বই ও পিঠা উৎসব।

যদিও ২১ ফেব্রুয়ারী, মহান ভাষা দিবস হলেও ডিসি চাইল্ডকেয়ার এন্ড এডুকেশন সেন্টারে অন্যান্য উৎসবের সাথে সমন্বিতভাবে ২৮ ফেব্রুয়ারী, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, বই ও পিঠা উৎসব পালন করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ক্রেডিটের বোর্ড অব ডিরেক্টর মনিকা গমেজ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের চীফ অফিসার সুইটি সিসিলিয়া পিউরিফীকেশন, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ, চাইল্ড কেয়ারের শিশুরা ও তাদের অবিভাবকবৃন্দ।

ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে দিনটির উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। মনিকা গমেজ তার বক্তব্যে বলেন, “আমাদের শিশুদের অবশ্যই মাতৃভাষা বাংলার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে আর এর প্রধান দায়িত্ব হলো অবিভাবকদের।”

 “শিশুদেরকে মোবাইল ফোন ও টিভির কার্টুন থেকে দূরে রাখতে হবে। কারণ, ছোট থেকে শিশুদের সঠিক ভাষা না শেখানো হলে তারা একসময় শুধু মোবাইল ও টিভির ভাষাই বলতে পারবে, মাতৃভাষা আর পারবে না,” বলেন গমেজ।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, বই ও পিঠা উৎসবে অংশগ্রহণকারীগণ

জাতীয় সংগীত ও ভাষার গানের সাথে অতিথিবৃন্দ, শিশুরা ও শিক্ষকবৃন্দ শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়। পরে অনুষ্ঠানে শিশুরা ছড়া, কবিতা, গান ও নৃত্য পরিবেশণ করেন।

চীফ অফিসার বলেন, “আমাদের ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের জন্যই আজকে আমরা মাতৃভাষা বাংলায় কথা বলতে পারছি। তাই আমাদেরকে ভাষা এবং ভাষার জন্য যারা শহীদ হয়েছেন তাদের শ্রদ্ধা জানাতে হবে।”

 অনুষ্ঠানে দুইজন অবিভাবক তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, “ঢাকা ক্রেডিটের এই চাইল্ড কেয়ার সেন্টার খুবই উন্নতমানের। এখানকার শিক্ষকগণ আমাদের বাচ্চাদেরকে তাদের নিজেদের সন্তানের ন্যায় পালন করেন। তবে তারা বলেন, “উন্নয়নের শেষ নেই, আরো যে জায়গাগুলোতে উন্নয়ন সম্ভব সেগুলো করতে হবে।” - ডিসিনিউজবিডি